শুক্রবার , ২১ জুলাই ২০১৭
Home » অর্থনীতি » ডিএসইতে লেনদেন কমেছে সাড়ে ৩ শতাংশ

ডিএসইতে লেনদেন কমেছে সাড়ে ৩ শতাংশ

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের গড় লেনদেনের পরিমাণ  কমে গেছে। গত পাঁচ কার্যদিবসে (২২-২৬ জানুয়ারি) বাজারে লেনদেন হয়েছে ৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩২১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বা ৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ কম।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৯৬ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ১ দশমিক ৯০ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, দশমিক ৯৫ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত এবং ১ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৬৬২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার ৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৩১টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়। এরমধ্যে ১৫০টির দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ১৫০টির দাম কমেছে এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টির দাম।

গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া ডিএসইএক্স শরিয়াহ সূচক ১৭ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৫৫ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়েছে।

সপ্তাহজুড়ে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ২৬৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকার, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ২১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বারাকা পাওয়ার।

লেনদেনে এরপর রয়েছে- লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, সিটি ব্যাংক, ইফাদ অটোস, সাইফ পাওয়ার, ন্যাশনাল ব্যাংক, সামিট পাওয়ার এবং লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট।