বুধবার , ২৪ জানুয়ারি ২০১৮
Home » জাতীয় » এরপরও প্রমাণ করতে হবে- সেতুমন্ত্রী

এরপরও প্রমাণ করতে হবে- সেতুমন্ত্রী

Bandarban news pic

Bandarban news pic

সি নিউজ : সিঙ্গাপুরের অর্থ পাচার সিঙ্গাপুরের আদালতে প্রমাণিত, যুক্তরাষ্ট্রের মানি লান্ডারিং এর যে মামলা সেটা কি মার্কিন আদালতে প্রমাণিত নয়? বিএনপির অর্থ পাচার এফবিআই ঢাকায় এসে আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে, এরপরও প্রমাণ করতে হবে? এরপরও কি এটা প্রমাণের অপেক্ষা রাখে?  বিএনপির উদ্দেশ্যে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বৃহস্পতিবার দুপুরে বান্দরবান পার্বত্য জেলার ঐতিহ্যবাহী ১৪০তম বোমাং রাজ পূণ্যাহ  মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন মধ্যবর্তী তামাসা, এটা কি মামা বাড়ির আবদার।
দুপুর সাড়ে বারটায় সৈন্য-সামন্ত্র বেষ্টিত বোমাং রাজা উ চ প্রু চৌধুরী হাতে তলোয়ার এবং মাথায় রাজ মুকুট পরে রাজভবন থেকে বের হয়ে অতিথিদের নিয়ে পুরাতন রাজবাড়ী মাঠের মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। পাহাড়ি বাদ্যযন্ত্রের সুর, অন্যদিকে আদিবাসী তরুণীরা ফুল ছিটিয়ে রাজাসহ অতিথিদের বরণ করে নেন। পরে রাজা প্রজাদের কাছ থেকে বাৎসরিক কর (রাজস্ব) আদায় করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডঃ আব্দুর রাজ্জাক, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুরসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা। আরো উপস্থিত ছিলেন, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম মেজর জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার পিএসসি, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড ও বান্দরবান রিজিয়ন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ যুবায়ের সালেহীন, এসইউপি, এনডিইউ, পিএসসি, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা, বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ লা মং, জেলা প্রশাসক দিলীপ কুমার বণিক, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, রাজকুমার চা হ্লা প্রু জিমি, রাজকুমার  মং ঙোয়ে প্রুসহ দেশ-বিদেশ থেকে আগত অতিথিরা। মেলাকে ঘিরে জেলার ১১টি আদিবাসী সম্প্রদায়ের  ঐতিহ্যম-িত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় পাহাড়ি-বাঙালিদের মিলন মেলা পরিণত হয়। মেলায় পুতুল নাচ, সার্কাস, নাগরদোলাসহ শত শত স্টল বসে। ২ শত বছরের ঐতিহ্য অনুসারে প্রতিবছর রাজা প্রজাদের কাছ থেকে কর (রাজস্ব) আদায়ের জন্য এই মেলার আয়োজন করে থাকে। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের কাছে রাজপূণ্যাহ উৎসব ‘পইংজারা পোওয়ে’ নামে সমাধিক খ্যাত।
দূর-দূরান্ত থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের হেডম্যান, কারবারী তথা সাধারণ লোকজন রাজার কাছে মেলার প্রথম দিন উপহার হিসেবে মুরগি, মদের হাঁড়ি, চাল, ধান, বাগানের ফল-মূল ইত্যাদিসহ ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রবীণ নেতা হিসেবে রাজার আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য সকাল থেকে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় থেকে পাহাড়িরা অনুষ্ঠানস্থলে এসে ভিড় জমান। বোমাং সার্কেলের আদিবাসীদের কাছে রাজাকে দেবতুল্য বলে গণ্য করা হয়।