বুধবার , ২৪ জানুয়ারি ২০১৮
Home » তথ্যপ্রযুক্তি » মোবাইল ফোন ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

মোবাইল ফোন ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকি

Mobile

Mobile

সি নিউজ : কয়েক দশক ধরে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে গেঁথে গেছে। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ছাড়া যোগাযোগের কথা ভাবাই যায় না। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন শরীরের উপর এর প্রভাব কতটা গুরুতর? এর ভুল ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদী শারিরীক জটিলতায় ভুগতে হতে পারে। তাই আজই সতর্ক হতে জেনে নিন মোবাইল ফোনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও এর ব্যবহার সম্পর্কে।
ব্রেন ক্যান্সার: মোবাইল ফোন থেকে ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক রেডিয়েশন নির্গত হয়। ফোনের এ্যান্টেনা মানুষের শরীরের নিকটতম কোষের শক্তি শোষণ করে নেয়। সম্প্রতি কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোনের ব্যবহার মস্তিষ্কে গ্লাইমাসসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মোবাইল ফোনের বিকিরণের মাত্রার উপর একে ২-বি কারসিনোজেনে তালিকাভুক্ত করেছে।
থাইরয়েডের সমস্যা: মোবাইল ফোনে কথা বলার কারণে উত্তেজনাকারী হরমোনের মাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থাইরয়েড হরমোনের স্বাভাবিক মাত্রা বন্ধ করে দিয়ে হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি থাইরয়েডের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শুক্রাণু নষ্ট করে: পুরুষেরা মোবাইল ফোন পকেটে কিংবা বেল্টের ক্লিপে রাখার আগে দ্বিতীয়বার ভাবুন। মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনের ফলে শুক্রাণু তিন গুণ দ্রুত মরে যেতে পারে। এছাড়া শুক্রাণুর মাইটোকন্ড্রিরাল ডিএনএ-এর উপর ক্ষতিকারক প্রভাব পড়তে পারে। এটি পুরুষদের স্বাস্থ্য ও উর্বরতার জন্য মোটেও ভালো খবর নয়। নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে:
১. পারতপক্ষে কথা বলার পরিবর্তে বার্তা পাঠান। লাউডস্পিকারে কথা বলতে পারেন অথবা কথা বলার সময় হ্যান্ডস-ফ্রি সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।
২. মোবাইলে কথা বলার সময় মাথা থেকে ফোন অন্তত এক ইঞ্চি বা সম্ভব হলে আরও দূরে সরিয়ে কথা বলুন।
৩. খুব অল্প সময় ফোনে কথা বলুন। অপ্রয়োজনীয় ফোন কল রিসিভ করবেন না।
৪. শরীরে মোবাইল ফোন বহন করা থেকে বিরত থাকুন। যেমন পকেট, বেল্ট ইত্যাদি।
৫. ফোনে মুভি দেখতে চাইলে প্রথমে এটি ডাউনলোড করে নিন। তারপর এয়ারপ্লেন মোডে গিয়ে মুভি দেখা শুরু করুন।
৬. দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগন্যালে কথা বলতে যাবেন না। নেটওয়ার্ক বার যত, দুর্বল ফোনের রেডিয়েশন তত বেশি।
৭. কার, ট্রেন, বাসের ভেতর মোবাইলে কথা বলা বন্ধ করুন। কারণ মোবাইল ধাতবের মাধ্যমে সংকেত পাঠানোর চেষ্টা করে। ফলে রেডিয়েশন বেড়ে যায়।
৮. মোবাইল ফোন শিশুদের ও তাদের মুখের কাছ থেকে দূরে রাখুন।