বুধবার , ২৪ জানুয়ারি ২০১৮
Home » খেলাধুলা » ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট একাদশে সাকিব-মুশফিক

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট একাদশে সাকিব-মুশফিক

Sakib musfik

Sakib musfik

সি নিউজ : টি-টোয়েন্টির পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের আরেক তারকা মুশফিকুর রহীমও জায়গা পেয়েছেন এই একাদশে। এর আগে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বর্ষসেরা টেস্ট একাদশেও জায়গা পেয়েছেন এই দুই তারকা।
অস্ট্রেলিয়া ও ভারত থেকে সর্বোচ্চ তিনজন করে টেস্ট একাদশে জায়গা পেয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশ থেকে আছেন দুইজন করে। অপর একজন ইংল্যান্ডের।
ডিন এলগার (দ. আফ্রিকা)
২০১২ সালে অভিষেক হওয়া এই প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান এ বছরই খেলেন ৫টি শতরানের ইনিংস। ৫৪.৮৫ গড়ে ১,০৯৭ রান করেছেন এলগার।
ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)
বছরটা সেঞ্চুরি দিয়ে শুরু করেন ওয়ার্নার। আর বছরের শেষ টেস্টেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত আরেকটি শতরানের ইনিংস খেললেন। ২১ ইনিংসে ৪৯.৮৫ গড়ে এ বছর ওয়ার্নারের রান ৯৯৭। সেঞ্চুরি ও ফিফটি সমান ৪টি করে। সর্বোচ্চ ইনিংস ১২৩।
চেতেশ্বর পূজারা (ভারত)
ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সময় পাড় করছে পূজারা। পূর্ণাঙ্গ টেস্ট খেলোয়াড় বলতে যা বোঝায় পূজারা তাই। এই ব্যাটসম্যান তার ধৈর্য্য ও অধ্যবসায়ের ফল পেয়েছেন ৬৭.০৫ গড়ে ১,১৪০ রান করে।
স্টিভ স্মিথ (অস্ট্রেলিয়া)
গত তিন বছরের ন্যায় এবছরও পঞ্জিকাবর্ষেই টেস্টে এক হাজারের বেশি রান করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। এ বছর ২০ ইনিংসে ১৩০৫ রান করেছেন স্মিথ। গড় ৭৬.৭৬। ৬টি সেঞ্চুরির সঙ্গে আছে ৩টি ফিফটি। সর্বোচ্চ ইনিংস ২৩৯।
বিরাট কোহলি (ভারত, অধিনায়ক)
রান তোলায় কোনো জুড়ি নেই ভারত অধিনায়ক কোহলির। চলতি বছর ৭৫.৬৪ গড়ে তিনি করেছেন ১০৫৯ রান।
সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)
চলতি বছর ব্যাট বল উভয় ক্ষেত্রেই নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন সাকিব। ৪৭.৫ গড়ে ৬৬৫ রানের পাশাপাশি ২৯টি উইকেটও আছে তার।

মুশফিকুর রহীম (বাংলাদেশ)
লাল সবুজের দলের অধিনায়কত্ব হারালেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে ভাস্বর ছিলেন মুশফিক। ৫৪.৭১ গড়ে ৭৬৬ রান করেছেন তিনি। ডিসমিসাল আছে ১৪টি।
রবীন্দ্র জাদেজা (ভারত)
অশ্বিনকে পেছনে ফেলে একদশে জায়গা করে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। এ বছর ব্যাট হাতে ১৪ ইনিংসে ৪১ গড়ে তিনি করেছেন ৩২৮ রান। হাত ঘুরিয়ে নিয়েছেন ৫৪ উইকেট। ইনিংসে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তিনবার।
কাগিসো রাবাদা (দ. আফ্রিকা)
ডেল স্টেইন-ভারনন ফিল্যান্ডারদের ইনজুরিতে চলতি বছর দারুণভাবে সামলেছেন প্রোটিয়াদের পেস আক্রমণ। এ বছর ১১ ম্যাচে ৫৭ উইকেট নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই ফাস্ট বোলার। পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তিনবার। ম্যাচে ১০ উইকেট দুবার। একাদশে দুই ফাস্ট বোলারের একজন রাবাদা।
নাথান লায়ন (অস্ট্রেলিয়া)
চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৩ উইকেট নিয়ে একাই স্বাগতিকদের হারিয়ে দিয়েছিল লায়ন। সারাবছর এমন বোলিং করে উইকেট পেয়েছেন ৬৩টি।
জেমস অ্যান্ডারসন (ইংল্যান্ড)
যত বয়স বাড়ছে এই পেসারের ধার ততই বাড়ছে। এ বছর ১১ ম্যাচে ৫৫ উইকেট তাকে জায়গা করে দিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার বর্ষসেরা টেস্ট একাদশে।